নিজস্ব প্রতিবেদক:  ক্ষমতার বাহাদুরি নয়, দায়িত্ববোধের বার্তা দিতে শুরু করলেন নতুন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি।

আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানের বাসা থেকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যান কিন্তু আগের মতো কোনো পতাকাবাহী সরকারি গাড়ি নয়, নিজের ব্যক্তিগত সাদা টয়োটা গাড়িতে করে তিনি সেখানে পৌঁছান। শুধু তাই নয়, গাড়িটি চালিয়েছেন তাঁর নিজস্ব চালক এবং ব্যবহৃত হয়েছে তাঁর নিজের কেনা জ্বালানি।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমানো হয়েছে গাড়িবহরও। যেখানে আগে ১৩-১৪টি গাড়ি থাকত, সেখানে আজ বহরে ছিল মাত্র ৪টি গাড়ি। ট্রাফিক বন্ধ করা হয়নি, সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত করা হয়নি, রাস্তার দুই পাশে ছিল না শতশত পুলিশ সদস্যের অপ্রয়োজনীয় উপস্থিতি।

তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের বাইরে অযথা আড়ম্বর নয়, প্রয়োজনেই কেবল পতাকা ব্যবহার করা হবে; যেমন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা বিদেশি অতিথিদের সফরের সময়।

এছাড়াও জনগণের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নয়, সচিবালয়েই অনুষ্ঠিত হবে, যাতে মন্ত্রীদের যাতায়াতের কারণে শহরে অযথা যানজট ও ভিআইপি চলাচলজনিত দুর্ভোগ তৈরি না হয়।

প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের সময় সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধ পুলিশ মোতায়েন রাখার প্রচলিত ব্যবস্থাও বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে।

রাষ্ট্র পরিচালনায় আড়ম্বর নয়, মানুষের স্বস্তিকেই অগ্রাধিকার, এই বার্তাই যেন উঠে এলো আজকের পদক্ষেপগুলোতে।

সরকারের সকল পর্যায়ের মন্ত্রী এবং কর্মকর্তারা যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নীতি অনুসরণ করেন তাহলে আমাদের রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতিতে নতুন ধারার সূচনা হবে।