ভলান্টিয়ার প্রতিনিধি: রাজনীতি দলের প্রচারণা, জাতীয় নির্বাচন বা স্থানীয় নির্বাচন সেই সাথে নির্বাচন কমিশনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের একটি নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরী বলে মনে করে গ্রাহক স্বার্থ নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত জুন এবং সেপ্টেম্বরে নির্বাচন কমিশন সকল রাজনৈতিক দলের সাথে প্রথম দফায় ইভিএম ও পরবর্তীতে নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে ২৯ টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত করে। বাকি নয়টি দল সংলাপে অংশগ্রহণ করে নাই। আমরা লক্ষ্য করলাম এই দুটি সংলাপেই নির্বাচন এবং রাজনীতিকে প্রভাবিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে নির্বাচন কমিশন বা ২৯ টি রাজনৈতিক দলের কেউ কোনো কথা বলে নাই। কিন্তু দেশের রাজনীতি করতাম নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার সবকিছু হয়ে থাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেন্দ্রিক। সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের নীতিমালা রয়েছে ‌। কিন্তু রাজনৈতিক দল বা নির্বাচন কমিশনের বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ এ প্লাটফর্ম ব্যবহারের কোন নীতিমালা নেই। একজন প্রার্থীর পোস্টার রঙ্গিন করা যাবে না বা প্রচার মাধ্যম কি হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট একটি নির্দেশনা কমিশনের রয়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কি ধরনের পোস্টার ব্যবহার বা ভিডিও প্রচার বা নেতিবাচক স্লোগান প্রচার না করা বুস্টিংয়ে ব্যয় করা সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা বা নীতিমালা না থাকায় আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন এবং রাজনৈতিক উত্তাপে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। নির্বাচন কমিশন চাইলে আমরা এ বিষয়ে কমিশনের সাথে বসে বা লিখিত পরামর্শ দিতে পারি।
আমরা মনে করি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা গেলে দুর্বল এবং সবল প্রার্থীদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যাবে পাশাপাশি সমাজে বিশৃঙ্খলা রোধ করা সম্ভব হবে।