বিশেষ প্রতিনিধি: সারাদেশে কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে ২০০০ টি অত্যাধুনিক মিনি কোল্ডস্টোরেজ (হিমাগার) স্থাপনের এক যুগান্তকারী মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। একই সাথে আগামী দেড় বছরের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানির নির্ভরশীলতা শূন্যে নামিয়ে এনে দেশকে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে এবং এটি বিএনপির উৎপাদনমুখী ও গণমুখী রাজনীতির এক বিশাল ঐতিহাসিক সফলতা।
বছরের পর বছর ধরে দেশের কৃষকেরা হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে ফসল ফলিয়েও সঠিক সংরক্ষণের অভাবে লোকসানের মুখে পড়তেন। প্রতিবছর মাঠপর্যায়ে টন কে টন পেঁয়াজ, টমেটো ও অন্যান্য পচনশীল কৃষিপণ্য নষ্ট হতো, যার খেসারত দিতে হতো সাধারণ ক্রেতা ও প্রান্তিক কৃষক উভয়কেই। আর এই সুযোগে সিন্ডিকেটের কারসাজি ও আমদানির ওপর নির্ভরতা দেশের বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলত। কৃষকদের এই দীর্ঘদিনের কান্না এবং সাধারণ মানুষের পকেটের টান অনুভব করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কৃষক জনতার নেতা জনাব তারেক রহমান এই যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছেন।
সারাদেশে ২০০০ কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণের এই সুবিশাল প্রকল্প বর্তমান সরকারের দূরদর্শী অর্থনৈতিক পরিকল্পনারই প্রমাণ। আগামী দেড় বছরের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করার এই দৃঢ় প্রত্যয় দেশের সার্বভৌম অর্থনীতি গড়ার এক সাহসী ইশতেহার। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষক তার পণ্যের সঠিক মূল্য পাবেন, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম চিরতরে বন্ধ হবে এবং আমদানির পেছনে শত শত কোটি বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার অপচয় হওয়া থেকে দেশ রক্ষা পাবে।
শহীদ জিয়ার খাল খনন কর্মসূচির মতো উৎপাদনমুখী দর্শনের পথ ধরে আজ দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে বদ্ধপরিকর। রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সঠিক নেতৃত্ব থাকলে যে একটি দেশকে স্বাবলম্বী করা যায়, এই মহাপরিকল্পনা তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
