লেখক: মোঃ আমিমুল ইহছান, সাবেক সভাপতি, কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদল

কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সংগ্রামী আহবায়ক Mostafizar Rahman Mostafa ও বিপ্লবী সদস্যসচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ  – এই দুইজন নেতার ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, আমরা কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের তৃণমূল নেতাকর্মীরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মূল বিষয়টি কী?

সার ডিলারশিপকে কেন্দ্র করে কালীরহাট বাজারে ‘মেসার্স সিনথিয়া ট্রেডার্স, প্রোঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম’ নামে একটি সাইনবোর্ড টাঙানো নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল। সেই প্রতিবেদনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক বা সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা তাদের কোনো বক্তব্যই ছিল না।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ বা সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ছাড়াই কিছু ফেসবুক আইডি থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের দুই শীর্ষ নেতার ছবি ব্যবহার করে তাদের জড়িয়ে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে।

আমাদের স্পষ্ট প্রশ্নঃ

১। কোনো সংবাদে যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা বক্তব্য না থাকে, তাহলে পরবর্তীতে তাদের ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দেওয়া কতটা যৌক্তিক ও সাংবাদিকতার নীতির মধ্যে পড়ে?

২। সার ডিলার নিয়োগ একটি সম্পূর্ণ সরকারি প্রক্রিয়া ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে হয়। এখানে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য ছবি ব্যবহার করা কি অপপ্রচার নয়?

আমরা বলতে চাই, তদন্ত হোক।

সার ডিলারশিপ নিয়ে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ হোক, অনিয়ম থাকলে তদন্ত হোক – এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন প্রচার বন্ধ করতে হবে।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তথ্যের পরিবর্তে ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হলে তা রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে।

তাই সকল ফেসবুক ব্যবহারকারীর প্রতি আমাদের আহ্বান – যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো পোস্ট, ছবি বা অভিযোগ প্রচার করবেন না। সত্যের সাথে থাকুন, গুজবকে না বলুন।

কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ আছে, ঐক্যবদ্ধ থাকবে।

এই ধরনের অপপ্রচার দিয়ে তৃণমূলের ভালোবাসা থেকে মোস্তফা চাচা ও সোহেল ভাইকে আলাদা করা যাবে না।

অপপ্রচারকারীরা নিপাত যাক, সত্য প্রকাশিত হোক।