ভলান্টিয়ার প্রতিনিধি:
★ প্রথম জন অধ্যাপক এ আরাফাত রহমান যাকে কেউ চিনতোনা,  টকশোতে কিছু টক ঝাল কথা বলে আলোচনায় আসার চেষ্টা,  শমী কায়সারের সাবেক স্বামী ছাড়া তেমন কোনো পরিচয় ছিলোনা৷ গুলশান এলাকায় এতো বর্ষিয়ান আওয়ামী লীগ নেতা থাকতে ও উনি কার ইশারায় কিভাবে নমিনেশন পেয়েছেন সেটা অনেকেই জানেন, যারা জানেন না ইনবক্স কইরেন। যাই হোক নির্লজ্জভাবে উনি জিতেছেন,
★  ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ভোটারের মধ্যে গুলশান এরিয়ায় আওয়ামী লীগ করেন  মাত্র ২৮ হাজার?  মোটেও না, কমপক্ষে ১ লক্ষ লোক আওয়ামী লীগ করেন, আরাফাত সাহেবের উপর বিরক্ত না থাকলে তারা কেন্দ্রে আসেন নাই কেনো?
★ উনি জিতেছেন, ছাত্রলীগের পোস্টে ছিলেন না, যুব লীগের পোস্টে ছিলেন না,মিছিল মিটিং এ কোনোদিন ছিলেন না, জেল জুলুম কোনো কষ্টই কোনোদিন করেন নাই, অথচ কি সুন্দর এমপি নমিনেশন পেয়ে গেলেন।
পাগলের মতো দল ভালোবেসে লাভ নাই, সিস্টেম জানতে হয়।
জিতে গেলো হিরো আলম
======================
★হিরো আলমের প্রথম জিত সে নৌকার ১ নাম্বার প্রতিদন্ধি, ক্লাসে রোল ২ এর অবস্থা দেখে আইডিয়া করা যায় রোল একের কি অবস্থা।
★ যার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নাই সে একজন অধ্যাপকের প্রতিদ্বন্দ্বী
★ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা একটা দলের অতংকের নাম হিরো আলম।
★ গুলশানের মতো এলাকায় ৫৬০০ লোক তাকে ভোট দিয়েছে,
★ প্রতিপক্ষ তাকে এতই ভয় পায় যে তার উপর বারবার হামলা করতে হয়েছে।

লজ্জাজনক হার লাঙ্গলের
===================
গত ১৫ বছর ধরে সরকারের গৃহপালিত বিরোধী দলে থাকার যোগ্য ফলাফল জাতীয় পার্টি হাতে নাতে পাচ্ছে।  বুঝা যাচ্ছে জোট ছাড়া ভোট হলে রংপুর ছাড়া কোথাও কোনো সীট তো দুরের কথা,  জামানত ও পাবেনা।
৩ লক্ষ ২৫ হাজার ভোটের মধ্যে ১৩২৮ ভোট লাঙ্গলের ০.৫ % এর ও কম ভোট।

লাঙ্গল প্রার্থী সিকদার আনিসুর রহমান ১৩২৮ ভোট,
গোলাপ ফুল  মো. রাশিদুল হাসান ৯২৩ ভোট,
ছড়ি . আকতার হোসেন ৬৪ ভোট,
ট্রাক . তারেকুল ইসলাম ভূঞাঁ ৫২ ভোট,
ডাব  রেজাউল ইসলাম স্বপন ৪৩ ভোট
এবং
সোনালী আঁশ  শেখ হাবিবুর রহমান ২০২ ভোট

এমপি হওয়ার শখ সবার থাকে, কনফিডেন্টের জন্যে ইউপি মেম্বার ইলেকশন করে দুই একবার ভোটের হিসাব বুঝা উচিৎ।   গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ব্যাক্তিগত যোগ্যতা যাই হোক ভোট পাওয়ার যোগ্যতাই আসল যোগ্যতা।  ঢাকা -১৭ আসনে ডাক্তার ছিলেন, ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন,  হিরো আলমকে অনেকে তুচ্চ তাচ্ছিল্য করেছেন, অথচ দিন শেষে হিরো আলমেরই জয় হয়েছে।  কারন রাজনীতিবিদ শিক্ষিত ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ব্যারিস্টারদের বাংলাদেশের মানুষ চিনে।
অনেক নতুন দল নিবন্ধনের জন্যে পাগল হয়ে যায়, হুংকার দেয় নিবন্ধন পাইলে এই করবো ঐ করবো। নিবন্ধিত দলের অবস্থা হিরো আলমের চেয়ে তুমুল খারাপ।

লেখক:
ইন্জি. মনসুর আহমদ
ঢাকা