লেখক: ড. মোল্লা রেজাউল করিম, বন সংরক্ষক, চট্টগ্রাম অঞ্চল : চট্টগ্রামের সন্তান জনাব মঈনুল আনোয়ার সাহেব একজন স্বপ্নদ্রষ্ঠা, সৌন্দর্য পিয়াসি স্বচ্ছ মনের আলোকিত মানুষ। তিনি প্রকৃতিকে ভালোবাসেন মনের টানে। প্রকৃতির অনবদ্য সব সৃষ্টির মাঝে মানবতার কল্যান খুঁজে খুঁজে তৃপ্তির পরিপূর্ণতায় নিজেকে সিক্ত করতে গড়ে তুলেছেন আলওয়ান মধু যাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র। ইতোমধ্যে তিনি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মধুর জিআই রেজিষ্ট্রেশন সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করেছেন নিজের মনের তাগিদে, জাতির স্বার্থে। তিনি দেশীয় মৌমাছি লালন পালনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনে মধুর ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সেই অতি গুরুত্বপূর্ণ মধুর চাহিদা পুরণের নিরনবতর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন সারা দেশের মৌচাষী ও মধু উৎপাদন কারীদের সংগঠিত করে, প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং তাদের স্বার্থ রক্ষার আন্দোলন গড়ে তুলে।

জনাব মইনুল সাহেব দেশীয় পৈজাতির মৌমাছি সংরক্ষণের বিষয়েসদা সচেতন এবং আন্তরিক। তিনি আমার সাথে বারবার যোগাযোগ করে এবিষয়ে সহযোগিতার হস্ত সম্প্রসারণ করেন।

আজ জনাব মইনুল আনোয়ার সাহেবের সহযোগিতা ও অংশগ্রহনে করা হলো “” চট্টগ্রাম উপকূলে নয়া সুন্দরবনের গোড়াপত্তন””।

#চট্টগ্রাম #উপকূলে #নয়া #সুন্দরবনের #গোড়াপত্তন

দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের কূল ঘেঁষে বিস্তীর্ণ এলাকায় গড়ে ওঠা পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়ের নাম সুন্দরবন। বিশ্ববিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি সুন্দরবনের প্রসিদ্ধি সারা দুনিয়ায়। এ-বনের সৌন্দর্যের অন্যতম অনুষঙ্গ এর বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদরাজী। তার মধ্যে সুন্দরী, কেওড়া, ছৈলা, গেওয়া, পশুর, বাইন, আমুর, হেতাল, পশুর, খলশী, হারগাজা ইত্যাদি প্রধান।

সুন্দরবনের মতোই দিনে দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটায় প্লাবিত বনভূমি চট্টগ্রামের উপকূলের কিছু কিছু স্থানে বিদ্যমান। মাটির গুনাগুন ও ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যে সুন্দরবনের সাথে মিল থাকায় চট্টগ্রাম উপকূলীয় বনবিভাগের কাট্টলী বিটে পরীক্ষামূলকভাবে মিনি সুন্দরবন সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।