ভলান্টিয়ার প্রতিনিধি: গতকাল ইতিহাস ভঙ্গ করে ডিজেল কেরোসিন, পেট্রোল আর অকটেনের যে মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে এর খেসার পুরো জাতিকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিবে এতে কোন সন্দেহ নেই ‌ বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজ এর পক্ষ থেকে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, জ্বালানি সেক্টর এর ২-৪ জন ব্যক্তির ভুল নীতি ও দুর্নীতির কারণে দেশের সকল জনগণ জ্বালানি জ্বরে ভুগছে। অকটেন এবং পেট্রোল আমরা দীর্ঘদিন যাবত আমদানি না করে গ্যাস এবং ডিজেল রিফাইন কনডেন্সার থেকে এ দুটি জ্বালানি উৎপাদন করা হয়। আমরা জানি এ দুটি জ্বালানির মজুদ আমাদের পর্যাপ্ত রয়েছে

কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে দেশীয় উৎপাদিত এই দুটি জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে বিদ্যুতের চাহিদার সাথে সঙ্গতি না রেখেই বেসরকারি খাতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ, ক্যাপটিক পাওয়ার এবং ক্যাপাসিটি চার্জ এর নামে হাজার হাজার কোটি টাকা সুবিধা দেয়া হয়েছে এ সকল প্রতিষ্ঠানকে। আর এর জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী, জ্বালানি উপদেষ্টা সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে কর্ণধার এ সকল সিন্ডিকেট বাণিজ্যের জন্য দায়ী বলে আমরা মনে করি। তাদের ভুলনীতি এবং দুর্নীতির দায়ভার দেশের সকল জনসাধারণ নিতে পারে না। সরকারের কাছে আমাদের দাবি খুব দ্রুত বর্তমান যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা প্রত্যাহার করে যুক্তিসঙ্গত মূল্য ঠিক করে জনগণকে বাঁচিয়ে রাখা। আজ সড়কে ডিজেল চালিত গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন এর পাশাপাশি মোটরসাইকেল চলাচল কমে গিয়েছে। হয়তো দু-একদিনের মধ্যেই গণপরিবনের ভাড়াও বেড়ে যাবে যা
সাধারণ নাগরিক দের সামর্থের বাইরে চলে যাবে। পণ্য পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেলে বেড়ে যাবে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। দেশে দেখা দিতে পারে চরম নৈরাজ্য ও দুর্ভিক্ষ।

দেশকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া রাখতে ও জীবনযাত্রা সহনীয় রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতি অনুরোধ বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করুন।