ভলান্টিয়ার প্রতিনিধি: শিক্ষদের বদলি বিষয়ক আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ২য় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বদলির জন্য তৈরিকৃত খসড়া নীতিমালার বেশকিছু বিষয় বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও নতুন করে বেশ কয়েকটি বিষয় যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।
কর্মশালা সূত্রে জানা গেছে, স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা বদলি হবেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর আর মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বদলির বিষয়টি দেখবে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। পৃথক দুটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান কিংবা ম্যানেজিং কমিটির কোনো অনুমতি নিতে হবে না। শিক্ষকরা সরাসরি অনলাইনে আবেদনের সুযোগ পাবেন।
বদলির আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১৬ অক্টোবর থেকে, যা চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বদলির কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় যেন কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য নতুন করে এই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। খসড়াটি শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী চূড়ান্ত করবেন।
কর্মশালা সূত্রে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে। তারমধ্যে, নারী শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কর্মরত শিক্ষকের নিজ জেলার ঠিকানা, নারী শিক্ষকদের স্বামীর কর্মস্থল, স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। বর্তমানে কর্মরত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষকদের নিজ জেলার দূরত্বও বদলির ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হবে। এছাড়া বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষক নিবন্ধনের ব্যাচ বিবেচনায় নেওয়া হবে।
আরও জানা গেছে, এক্ষেত্রে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্তরা বদলির সুযোগ পাবেন না। অধিক সংখ্যক প্রার্থীর বদলির বিষয়টি দেখভাল করা কঠিন হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এনটিআরসিএ প্রথম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ২০১৫ সালে। এ নিয়োগ সম্পন্ন হয় ২০১৬ সালের দিকে। প্রথম গণবিজ্ঞপ্তির আগে যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তারা নিজে প্রতিষ্ঠান পছন্দের সুযোগ পেয়েছেন। ফলে তাদের বদলির প্রয়োজন নেই। তাই এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্তরাই বদলির সুযোগ পাবেন।
