কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কার্যালয়ে এক চেয়ারে ২ জন কর্মকর্তা । একজন যোগদান করার ৩ মাস পেরিয়ে গেলেও দায়িত্ব দিতে নারাজ আগের কর্মকর্তা বর্তমানে জেলার অতিরিক্ত দায়িত্বের উপপরিচালক জয়ন্তী রানী। এভাবেই চলছে তাদের অফিস। এ নিয়ে রীতিমতো আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে । ব্যাহত হচ্ছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কাজও। আগের কর্মকর্তা জয়ন্তী রানী বর্তমানে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হওয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে দায়িত্ব হস্তান্তর না করার অভিযোগ উঠেছে, ভোগান্তিতে জনসাধারণ।

নতুন কর্মকর্তা যোগদান করা ৩ মাস পেরিয়ে গেলেও ক্ষমতার বলে চেয়ার না ছাড়া অভিযোগ আগের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে । জানা গেছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নিশাদ তামান্না চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১৭ তারিখে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোহেলী পারভিনকে নাগেশ্বরী উপজেলার পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারীতে পদায়ন করেন। পদায়নের পর সোহেলী পারভিন চলতি বছরের ৬ এপ্রিল মূল দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়ে ভূরুঙ্গামারীতে যোগদান করলেও অদ্যবধি পর্যন্ত দায়িত্ব বুঝে না পাওয়ার অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোহেলী পারভিন বলেন আমি যোগদান করার পর আগের কর্মকর্তাকে একাধিক বার মৌখিক ও লিখিত ভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের কথা জানানো হলেও তিনি আমাকে দায়িত্ব প্রদান করেন নাই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বর্তমানে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (অঃ দাঃ) জয়ন্তী রানীকে একাধিক বার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।