ভলান্টিয়ার প্রতিনিধি: এই বয়সেও কি এতো লোড নেওয়া ঠিক? যেকোনো পরিবেশে, যেকোনো পরিস্থিতিতে বৃদ্ধ বয়সেও ফাটাকেষ্টের মত সারা বাংলাদেশে অসহায় মানুষের দরজায় পৌঁছে যাচ্ছেন সিলেটের গৌরব ডা. শফিকুর রহমান।

বন্যা আসলেই মানুষ তাশরিফ, সুমন, ফারাজদের কথা স্মরণ করে। এর কারণ হচ্ছে তারা তাদের কর্মকাণ্ড গণমাধ্যমে শতভাগ প্রচার করে। ভিডিও দেখে আপনি আবেগাপ্লুত হন। তাই আপনার পকেটের টাকা নিয়ে এরা অস্বচ্ছভাবে মানুষকে সহযোগিতা করলেও আপনি এদেরকে চান।

এদিকে ছবির এই বৃদ্ধ মানুষটি শুধু বন্যা নয় বরং দেশের যেকোনো সংকটে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া ছুটে বেড়ান। আপনার কাছে টাকার জন্যে সহযোগিতা চান না বরং তার সংগঠনের তহবিল থেকে উদারমনে খরচ করতে থাকেন। ৭৬ বছর বয়সেও তিনি সাধারণ এক নাগরিকের বেশে নিরন্তর ছুটে চলেছেন। তবু আপনার চোখে মানবতার ফেরিওয়ালা হলো সুমন ফারাজ গংরা যাদের আসল মুখোশটা সঠিক সময়ে খুলে যায়।

এই মানুষটি তার জীবনে বাংলাদেশকে যে সার্ভিস দিয়েছেন তা ১ কোটি ফারাজ সুমন মিলেও দিতে পারবে না।

(তিনি ভন্ডদের মতো মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তুলে সহযোগিতা করেন না। তার সংগঠনের কর্মীদের পকেটের টাকা, তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয় থেকেই সহযোগিতা করেন। আর তিনি শুধু বন্যাতেই না, যেকোনো সংকটে তিনি মানবতার এক প্রকৃত ফেরিওয়ালার ভুমিকায় অবতীর্ণ হন। এই দেশ তার ঋণ কখনোই শোধ করতে পারবে না। মানুষটির নেক হায়াতের জন্য দোয়া করুন) আমিন।