ভলান্টিয়ার(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: ভুরুঙ্গামারীর আন্ধারীঝাড়ে কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট না পড়ায় দশম শ্রেনীর এক ছাত্রকে পিটিয়ে আহত। হাসপাতালে ভর্তি।
ভুরুঙ্গামারীর আন্ধারীঝাড় মাহমুদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও নিউরণ কোচিং সেন্টারের পরিচালক আব্দুল আউয়াল কর্তৃক তার কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট না পড়ায় রাকিব নামে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করায় হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার বিকালে। ঐ ছাত্রের চাচা শাহজাহান আলী জানায় আমার ভাতিজা আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের খামার আন্ধারীঝাড় গ্রামের আলতাফ হোসেনের পুত্র রাকিব হাসান (১৬) ঐ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র।আন্ধারীঝাড় মাহমুদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল আউয়াল দীর্ঘদিন থেকে সরকারীভাবে নিষিদ্ধ সত্বেও নিউরন কোচিং সেন্টার নামে একটি প্রাইভেট সেন্টার খুলে ছাত্রছাত্রীদের প্রাইভেট পড়তে বিভিন্ন কৌশল ও চাপ সৃষ্টি করে আসছে। আমার ভাতিজা সংসারের অস্বচ্ছলতার কারনে তার কোচিং এ প্রাইভেট না পড়ায় গত মঙ্গলবার বিকালে ক্লাস না থাকায় বাড়িতে আসলে উক্ত শিক্ষক তার কোচিং সেন্টারের ছাত্রদের দিয়ে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। উল্লেখ্য উক্ত শিক্ষক আব্দুল আউয়াল একজন দাদন ব্যবসায়ী। নিজের দোষ ঢাকতে কিছুদিন পুর্বে বন্ধু বান্ধবদের টাকা হাওলাত দিয়ে হালখাতা করে টাকা আদায় করেন। মুঠোফোনে কথা হলে উক্ত শিক্ষক আব্দুল আউয়াল কোচিং সেন্টার পরিচালনা ও ছাত্রকে পিটিয়ে জখম করার কথা স্বীকার করে বলেন এটা অন্যায় হয়েছে।
ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান জানায় কয়েকদিনের মধ্যেই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির লোকজনকে নিয়ে তার বিরুদ্ধে রেজুলেশন করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।অনতি বিলম্বে ঐ শিক্ষকের নিষিদ্ধ কোচিং সেন্টার বন্ধকরণসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করেছেন।
