ভলান্টিয়ার প্রতিনিধি: (লেখক: মোঃ সাব্বির হোসেন রানা)
ইদানিং আমি যা দেখছি তাতে মনে হচ্ছে “সম্মাননা” শব্দটি নিছক শব্দ হিসেবেই ব্যবহার করছে।
কয়েক বছর যাবৎ এমনই আমার শহর, আমার দেশে প্রায়ই দেখছি। এসব সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলছি না। কিন্ত যাদেরকে বলছি আশা করি তারা বুঝতে পারবেন।
‘সম্মাননা’ শব্দটি খুবই কঠিন। কিন্তু বর্তমানে এতটা সহজে এটা দেওয়া হচ্ছে যেটা বলা বাহুল্য। আসলে এমন সম্মাননা যখন জানানো হয় তখন বিপরীতে যারা সেই সম্মাননা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে তাদের মনোবল ভেঙ্গে যায়। এখানে অনেকগুলো বিষয় থাকে (মানুষটাকে পছন্দ হয়না, সে রাজনীতি করে, সে অন্য দল করে, ঐ সংগঠন অনেক সম্মাননা পাচ্ছে, ঐ সংগঠন ছোট, তাদের আর নিজেদের কাজ একই) ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে সম্মাননা না দিয়ে তাদের এক প্রকার অসম্মান বা তাদের কাজকে অপমানিত করা হয়।
এতে করে হয়তো ধীরে ধীরে তাদের কাজের গতিও কমে যায়। তবে অনেকেই শক্তভাবে নিজেদের গন্তব্য অটল রেখে এগিয়ে যাচ্ছে।
আমাদের সমাজে অনেক মানুষ বা সংগঠন আছে যারা কাজের থেকে সম্মাননা কুড়াতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। অন্যদিকে, কিছু মানুষ বা সংগঠন সম্মাননা কুড়ানোর থেকে অস্বচ্ছল মানুষদের পাশে দাঁড়ানো বা সমাজের সেবা করতে থাকে।
আমি এই লেখার মাধ্যমে জানাতে চাই যে, সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে সম্মাননা জানানো হোক। এমন সম্মাননা জানাবেন না যাতে অন্যদের অসম্মানিত বা অপমানিত করা হয়। কারণ সম্মাননা খুবই কঠিন শব্দ যা অর্জন করতে অনেক ত্যাগের দরকার হয়, শ্রম ব্যয় করতে হয়। এমনকি জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ কাজও করতে হয়।
