ভলান্টিয়ার প্রতিনিধি: পর্ণ দেখে পর্ণ মুভির মতো পারফরম্যান্স আশা করে সেটা পায়না বলে ৭৫% নারী ডিভোর্স চাচ্ছেন! ওরা বুঝতেই চায়না যে সিনেমা আর বাস্তব এক নয়।
তাছাড়াও শিক্ষার্থীদের কাছে স্মার্ট ফোন এবং অনলাইন সুবিধা সহজ হওয়ায় সুযোগ পেলেই অধিকাংশরাই পর্ন দেখার চেষ্টা করছে, তাই অভিভাবকদের সচেতন হওয়া জরুরি।
কারন হলো সিনেমা আর বাস্তব এক নয়, বাস্তব জীবনে শুটিং করে জোড়া দেয়া যায়না! সিনেমায় যা দেখানো হয় তা ফেইক।
আরো কিছু বড় কারন আছে যেমনঃ
♦বডি শেইমঃ
সিনেমায় মূলত সুন্দর নায়ক নায়িকাদের কাষ্ট করা হয়, এবং ফিগার ও গুরুত্ব দেয়া হয়।
যে চরিত্রে অভিনয় করে সেরকম ফিগার দেখে অভিনেতা অভিনেত্রী নেয়া হয়।
কিন্তু বাস্তব জীবনে সবার ওরকম ফিগার হয়না দেখতে সবাই নায়ক নায়িকাদের মতো হয়না একারনে সিনেমায় যেমন দেখে অভ্যস্থ হয় বাস্তবে সেরকম না পেয়ে হতাশায় ভুগে এতে সঙ্গীর প্রতি আগ্রহ হারায় আর প্রকৃত আনন্দ বঞ্চিত হয়।
♦সিনেমার মতে কাল্পনিক আচরন ও পারফরম্যান্স আশা করাঃ
সিনেমায় যেসকল আচার আচরন এপ্রোচ বিহেভিয়ার ও পারফরমেন্স দেখানো হয় সবই অভিনয়। কিন্তু একজন নারী বা পুরুষ যখন এসব দেখে দেখে মাথায় ঢুকে যায় আর ভাবে এগুলাই রিয়েল আর বাস্তবে পারাফর্ম এর ধারে কাছে না থাকে তখন তারা হতাশ হয়। ভাতে তার হয়তো সমস্যা তাই তখন অন্য সঙ্গী খুঁজে মানে পরকিয়া আসক্ত হয়।
♦বহুগামীতাঃ
মুভিতে দেখে দেখে তারা একজনে সন্তুষ্ট হয়না, তারা অন্য সঙ্গী তে মজতে চায় কারন দির্ঘদিন এসব দেখে দেখে মনে গেছে যায় যে একেকজনের একেক স্বাদ তাই তারা অন্য সঙ্গীতে আসক্ত হয়।
♦ইনসিষ্ট বা পরিবারের সদস্যদের প্রতি আকর্ষনঃ
এ বিষয়ে লিখতেও লজ্জা লাগছে কারন এটা খুবই ভয়ানক ও লজ্জাজনক একটা বিষয় যে এসব মুভি দেখে তারা নিজের পরিবারের সদস্য যেমন খালা মামি চাচী কাজিন এমনকি নিজের মা বোনের প্রতিও লোলুপ দৃষ্টি দেয়!!!
♦ বিকৃত আচরনঃ
মুভিতে অনেক বিকৃত আচরন দেখানো হয় যা বাস্তবতা বিবর্জিত এবং অসম্ভব। আর যখন এরকম আচরনে অনভ্যস্ত সঙ্গী তা প্রত্যাখ্যান করে তখন সংসারে অশান্তি হয় এমন অনুযোগ অভিযোগ অনেক পেয়েছি পরামর্শ দিয়েছি বুঝিয়েছি।
♦ সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষনঃ
আজকাল নিউজফিডে প্রায় ই দেখবেন মেয়েরা মেয়েদের এবং ছেলেরা ছেলেদের বিয়ে করছে বা এই কাজটিতে আসক্ত হচ্ছে
এইসবই কিন্তু পর্ণ মিভির কুফল!!
